সর্বব্যাপী আর্সেনিক

Submitted by Hindi on Sun, 10/09/2016 - 11:45
Source
बांग्ला आर्सेनिक : प्रोक्ति ओ प्रतिकार

আর্সেনিক বা আধুনিক প্রযুক্তিজাত সমস্যাবলী থেকে বাঁচতে ও বাঁচাতে বিজ্ঞানের জ্ঞান ও পরিবেশ সচেতনতার প্রয়োজন আজ অত্যন্ত বেশি। এই সচেতনতা সাধারণ মানুষের পক্ষে যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন, বরং বলা ভাল অনেক বেশি প্রয়োজন প্রশাসক বিধায়ক সাংসদ ও বুদ্ধিজীবীদেরও।

পরিবেশে, প্রকৃতিতে আর্সেনিক সর্বব্যাপী। আধুনিক শিল্পপ্রযুক্তিতে এর বিশেষ ব্যবহার নেই। কিছু কীটনাশক, আগাছানাশক তৈরিতে, কাঁচ ও সেমিকণ্ডাকটর তৈরিতে আর্সেনিকের সামান্য ব্যবহার হয়। তবু আর্সেনিক পরিবেশে ক্রমাগত বাড়ছে, ছড়াচ্ছে, বাড়াচ্ছে মানুষের উদ্বেগ। এর কারণ বুঝতে গেলে আর্সেনিকের পরিবেশ - রসায়ন, ভূ-রসায়ন, প্রাণরসায়ন সহ উদ্ভিদ ও জীবদেহে আর্সেনিকের বিভিন্ন রাসায়নিক রূপের ক্রিয়া - বিক্রিয়ার প্রকৃতি বুঝতে হবে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের বিশাল অঞ্চলে ব্যাপকভাবে আর্সেনিক বিষ ছড়াচ্ছে। মূলত ভূগর্ভজল বাহিত হয়ে মাটির নীচ থেকে উপরে উঠছে। সেচের জন্য ও নিরাপদ পানীয় হিসাবে এই জল ব্যবহার হচ্ছে। প্রধানত পানীয় জল ও খাদ্য থেকেই মানুষের আর্সেনিক ঘটিত নানারোগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। চাষের জল থেকে মাটি, খাদ্যসব্জি, কীটপতঙ্গ, পশুপাখি, মাছ ও জলচর প্রাণী সহ সমগ্র ইকোসিস্টেমেই আর্সেনিক বাড়ছে। সেচের জল শুকিয়ে গেলে শুকনো মাঠে আর্সেনিকের পাতলা আস্তরণ বাড়তে থাকে। বায়ুবাহিত ধুলিকণা সেই আর্সেনিক বহণ করে মনুষ্যদেহে, বিশেষ করে ফুসফুসে ক্রমাগত জমা করে চলেছে। এ থেকে শহর-গ্রামের শিক্ষিত - অশিক্ষিত, ধনী - দরিদ্র কেউই রেহাই পাচ্ছেন না।

প্রযুক্তির অগ্রগতি, সমস্যাসৃষ্টি ও সমাধান


ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতি ঘটে চলেছে। তার ফলে একদিকে যেমন নানারকম সম্পদ ও পরিষেবা (services) মানুষের অনেক সুবিধা ও সুখ ক্রমাগত বাড়িয়েই চলেছে, অন্যদিকে তার আনুষঙ্গিক ফল হিসাবে নানারকম দূষণ ও বিষণও ঘটেছে। তাদের প্রতিকারের ব্যবস্থাও বিজ্ঞান - প্রযুক্তিই করে চলেছে। কিন্তু সর্বত্র সফল হচ্ছে কি? লব্ধ সমাধান বা নিবারণীয় সতর্কতা সর্বত্র গৃহীত বা প্রযুক্ত হচ্ছে কি?

সস্তায় পরমাণু বিদ্যুত সবাইকে পৌঁছে দেবার আশা আজ বাস্তবসম্মত প্রমাণিত না হওয়ায় পরমাণু প্রযুক্তি প্রায় থেমে গেছে। ডিডিটি-র কীটনাশক ক্ষমতা আবিষ্কারের জন্য আবিষ্কারক পল মূলারকে 1948 সালে নোবেল প্রাইজ দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল। সেই ডিডিটিই আজ বিশ্বনিন্দিত, নিষিদ্ধ। বহুমুখী নদীবাঁধ প্রযুক্তিও আজ বিতর্কিত। অ্যারোসল, রেফ্রিজারেটারে ব্যবহৃত অপেক্ষাকৃত নিরাপদ রাসায়নিক ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ঊর্ধ্বাকাশের ওজোনস্তর ক্ষয় করছে, যার জন্যে আজ তা নিয়ন্ত্রিত। সবুজ বিপ্লবের সহযোগী বিপুল পরিমাণে ভূগর্ভজল উত্তোলন সৃষ্টি করেছে এই আর্সেনিক সমস্যা। এর আশু সমাধানের কোনও আশা দেখা যায় না। আর্সেনিক ঘটিত রোগব্যাধির কোনও চিকিত্সাও নেই।

পৃথিবীতে আর্সেনিক হট স্পট বা তপ্ত অঞ্চল বেশ কিছু আছে। তবে বর্তমানে আর্সেনিক সমস্যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেই সর্বাধিক। এই অঞ্চলের আর্সেনিক বিষণের তীব্রতাক্রম এরকম- বাংলাদেশ > পশ্চিমবাংলা > চিন > প্রজাতন্ত্রের অন্তর্মোঙ্গোলিয়া > তাইওয়ান।

বিজ্ঞানশিক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতা সবার জন্যেই


আর্সেনিক সমস্যার মতো যে কোনও বাস্তব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথম প্রয়োজন সমস্যাটিকে সর্বদিক থেকে যথার্থ ভাবে বোঝা। আর কোনও কিছুর সবকিছু বুঝতে গেলে সবকিছুর কিছু কিছু জানতেই হয়। আর্সেনিক হল বাস্তব মানবিক সমস্যা, পরিবেশীয় তো বটেই। তাই তার জন্যে একদিকে যেমন রসায়ন, ভূ-রসায়ন, ভূতত্ত্ব, জীবন বিজ্ঞান, প্রাণরসায়ন, প্রযুক্তি প্রভৃতির কিছু কিছু জানতেই হয়, অন্যদিকে তেমনি রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস সম্পর্কেও কিছু ধারণার প্রয়োজন। তবে তার জন্যে বিশেষজ্ঞের জ্ঞানের প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক বুদ্ধি ও সাধারণ শিক্ষাই যথেষ্ট।

আর্সেনিক বা আধুনিক প্রযুক্তিজাত সমস্যাবলী থেকে বাঁচতে ও বাঁচাতে বিজ্ঞানের জ্ঞান ও পরিবেশ সচেতনতার প্রয়োজন আজ অত্যন্ত বেশি। এই সচেতনতা সাধারণ মানুষের পক্ষে যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন, বরং বলা ভাল অনেক বেশি প্রয়োজন প্রশাসক বিধায়ক সাংসদ ও বুদ্ধিজীবীদেরও। কারণ তাঁরা শুধু জনসাধারণই নন, পরিবেশেরও নিয়ন্ত্রক। জলবাহিত রোগব্যধি থেকে মানুষকে বাঁচাতে ঢালাও নলকূপের ব্যবস্থা পদস্থ ব্যক্তিরাই করেন। বাংলাদেশে প্রায় এককোটি নলকূপ 1980 ও 1990 এর দশকে ইউনিসেফ ও বিশ্বব্যাঙ্কের পরামর্শ ও আর্থিক সাহায্যে বসানো হয়েছে জনসাধারণকে নিরাপদ পানীয়জল সরবরাহের জন্য। হাংরি মিলিয়ন-কে খাওয়ানোর জন্যে সবুজ বিপ্লব এবং তার সহযোগী ভূগর্ভ জল উত্তোলন ব্যবস্থা সরকারই করেছেন এবং জনসাধারণের ওপর একতরফাভাবে এই সবুজ বিপ্লবের দায় চাপিয়ে দিয়েছেন। তার বিষময় পরিণতির শিকার নিরীহ জনসাধারণই।

চারশো বছর আগে ব্রিটিশ দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক ফ্রান্সিস বেকনের স্বপ্ন ছিল বিজ্ঞানীরাই রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকবেন। আজ বিজ্ঞান যখন পরিবার সমাজ রাষ্ট্র সর্বত্র বিপুল প্রভাবে বিরাজিত, তখনও বেকনের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে। ইত্তরোপ বা আমেরিকায় রাষ্ট্রনায়কদের মধ্যে বেশিরভাগেরই বিজ্ঞান শিক্ষা প্রায় নেই বললেই চলে। পশ্চিমবাংলা, বাংলাদেশ ও ভারতীয় নেতাদের মানসিকতা ও শিক্ষাদীক্ষার বহর তো আমরা দেখছিই। ব্রিটেনে একমাত্র প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের রসায়নে শিক্ষা ছিল, গবেষণাও করেছিলেন এবং নোবেলজয়ী ডরোথি হজকিনশের সঙ্গে কাজও করেছিলেন। ওজোনস্তর ক্ষয়ী ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ করায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে আবার 535 জন সদস্যের মধ্যে সাকুল্যে শতকরা এক ভাগের বেশি সংসদ সদস্যেরও উল্লেখ করার মতো কোনও বিজ্ঞান শিক্ষাই ছিল না বিগত একশো বছরে। টমাস জেফারসন একমাত্র ব্যতিক্রম। তবে কেউ কেউ অবশ্য থিওজোর রুজভেল্ট, হার্বার্ট হুভার, ও জিমি কার্টারের নামও করে থাকেন। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বলা যায় একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধান রায়েরই ছিল বুদ্ধি, প্রজ্ঞা ও যথার্থ বৈজ্ঞানিক জ্ঞান।

বৈজ্ঞানিক সত্যের রাজনৈতিক শক্তি


বিজ্ঞান আজ চূড়ান্ত নিষ্পত্তিকারক অবস্থানে সুপ্রতিষ্ঠিত। বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা সুপ্রতিষ্ঠিত ও আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী মহল স্বীকৃত কোনও বৈজ্ঞানিক সত্যকে কোনও সরকার, বিশেষ করে উন্নত দেশ সমূহে, এড়িয়ে যায় না, যেতে পারে না। আর্সেনিক সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণা তাই অত্যন্ত জরুরি। তাতে একদিকে যেমন সরকার ও প্রশাসন ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়, তেমনি অন্যদিকে কী ব্যবস্থা কিভাবে নেওয়া যেতে পারে, তারও একটা দিশা পাওয়া যায়। দু-একটি দৃষ্টান্ত দেখা যাক। যখনই বোঝা গেল বাতাসে কার্বন ডাইঅকসাইড (co2 ) ও অন্যান্য গ্রিন হাউস গ্যাসের মাত্রা বাড়ছে, যার অনিবার্য ফল কনভেশন (1985), কিয়োটো প্রোটোকল (1997) আবার অ্যারোসল বা রেফ্রিজারেটারে ব্যবহৃত ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCS) ঊর্ধ্বাকাশে ওজোন স্তর ক্ষয় করছে বলে বিজ্ঞানীরা জানানোর (1974) পর আমেরিকায় 1978 সালে অ্যরোসল নিষিদ্ধ হল। 1987 সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র সহ 23টি দেশ মণ্টি্রল প্রোটোকল স্বাক্ষর করে 2000 সালের মধ্যে ওজোনক্ষয়ী CFC অর্ধেক করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দীর্ঘ প্রায় চার দশক ধরে আমেরিকা ও রাশিয়া ম্যাডের (MAD – Mutually Assured Destruction) রাজপথে দুরন্ত পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা করে গেছে। কোটি কোটি মানুষের মৃত্যু, শহরের পর শহর ধ্বংস, তেজস্ক্রিয়তার ব্যাপক সম্প্রসারণ প্রভৃতির অবশ্যম্ভাবী ফলও তাদের এই উন্মত্ত প্রতিযোগিতা থেকে নিবৃত্ত করতে পারেনি। কিন্তু 1982-85 মাঝামাঝি পারমাণবিক শীতকাল বা Nuclear Winter এর নিশ্চিত সম্ভাবনা সম্পর্কে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানী মহল সুপার কম্প্যুটারের আর্মাগেড্ডন সিমিউলেশন প্রোগ্রামিং (Armageddon Simulation Programming) - এর হিসাব ও ফলাফল যখন প্রকাশ করল, তখন রোনাল্ড রেগ্যান ও গোর্বাচভ অবলম্বেই পরমাণু অস্ত্রহ্রাস চুক্তি করতে বাধ্য হলেন (1987) প্রায় সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে ক্রিটাসিয়াসে যুগে পৃথিবীর বাইরে থেকে আগত অতিকায় কোনও উল্কাপিণ্ড বা গ্রহাণু পৃথিবীতে এসে ধাক্কা মারায় উত্থিত ধূলিঝড় সূর্যালোক ঢেকে দিয়ে ডাইনোসর সহ বহু প্রজাতির জীবজন্তু ও উদ্ভিদের বিলুপ্তি ঘটিয়েছিল। তেমনি কিছু পরমাণু অস্ত্র বিনিময় এমন কালো ধোঁয়ার সৃষ্টি করবে যে, পৃথিবীর আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাবে। আর আটকে যাবে সূর্যালোক। এর ফলে পৃথিবীর মানুষ সহ জীবজগত অনুরূপ ধ্বংসের কবলে পড়বে।

অন্যদিকে আবার স্বল্পমাত্রার পরিবেশীয় লেড বিষণ যে কি ভয়ঙ্করভাবে মানুষের, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষতি করতে পারে, তার বিস্তর চাঞ্চল্যকর প্রামাণ্য তখ্যাদি উদঘাটনের পর মোটর জ্বালানিতে সীসা বা লেড নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা কার্যকর করা হল। বিজ্ঞানীরা প্রচুর অনুসন্ধান ও গবেষণা করে দেখলেন, লেড পুরুষের শুক্রবীজকে দুর্বল করে, গর্ভস্থ ভ্রূণ নষ্ট করে এবং শিশুদের বুদ্ধ্যঙ্ক কমায়, তাদের মেজাজের রুক্ষতা ও অপরাধ প্রবণতা বাড়ায়। আমেরিকার স্বাস্থ্যদপ্তর হিসাব করে দেখলেন যেসব শিশুর রক্তে প্রতি ডেসিলিটারে (100 মিলিলিটার) এক মাইক্রোগ্রাম (এক মিলিগ্রামের হাজার ভাগের এক ভাগ) লেড - ভার কমানো গেলে মানসিক ও দৈহিক ক্ষতিপূরক চিকিত্সা এবং শিশুর প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত শিক্ষা খরচ বাবদ শিশু প্রতি প্রায় দু-হাজার ডলার বেঁচে যায়। এতে বোঝা যায় যে, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইওরোপের দেশগুলি পরিবেশীয় লেড কমানোর জন্যে কেন এত ব্যয় ও শ্রম করেছেন। আজকাল এদেশেও লেডহীন পেট্রোল এসে গেছে।

এদিকে আমেরিকান এনভায়রনমেণ্টাল প্রোটেকশান এজেন্সির হিসাব অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে পরিবেশীয় আর্সেনিক থেকে সুরক্ষিত একটি মানবজীবনের মূল্য 6.1 মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 300 কোটি টাকার কাছাকাছি। আমেরিকার বিজ্ঞানীরা তাইওয়ান, চিলি, আর্জেণ্টিনার আর্সেনিক আক্রান্ত মানুষজনদের পানীয় জলের আর্সেনিকের জন্য অতিরিক্ত যে ক্যানসার হয়েছে, তার জানপদবি (epidemiological) পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে আমেরিকার মানুষজনদের মধ্যে কীরকম ক্যানসার বৃদ্ধি পাবে, তার হিসাব প্রকাশ করার পর আমেরিকার পানীয় জলে আর্সেনিকের সর্বোচ্চদূষক সীমা লিটার প্রতি 50 মাইক্রোগ্রাম থেকে নামিয়ে 10 এ আনা হল (G8, G9)। বাংলার পানীয় জলের আর্সেনিকের ভবিষ্যত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব কবে হবে?

আমেরিকার নিউ অর্লিয়ান্সে উত্সাহ ও সাফ্যল্যের সঙ্গে আর্সেনিকের ওপর প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় 1993 সালে। তারপর 1998 সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়োগোতে অনুষ্টিত আর্সেনিকের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পর থেকে বিশ্বব্যাপী আর্সেনিক নিয়ে ভাবনা - চিন্তা, প্রযুক্তিগত কাজকর্ম, বৈজ্ঞানিক গবেষণার এক জোয়ার এসে গেছে। কয়েক হাজার গবেষণাপত্র বেরিয়ে গেছে, এবং আরও বেরোচ্ছেই। চমত্কার বইও কিছু বেরিয়েছে, যদিও সবই ইংরেজিতে, এবং বেশিরভাগই বিশেষজ্ঞদের দ্বারা, বিশেষজ্ঞদের জন্য।

মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার
প্রাক্তন অধ্যাপক, রসায়ন বিভাগ, ডীন ফ্যাকল্টি অফ সায়েন্স, কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়


Source: Extract from the book titled “Banglay Arsenic: Prokiti O Pratikar” written by Prof. Manindra Narayan Majumder.

Disqus Comment

More From Author

Related Articles (Topic wise)

Related Articles (District wise)

About the author

नया ताजा